খরগোশ খাওয়া হারাম নাকি হালাল ? হাদিস এর আলাকে

খরগোশের গোশত


খরগোশ খাওয়া হারাম নাকি হালাল ? হাদিস এর আলাকে


আমি শুনলাম বিড়ালের মত পা এই জাতীয় খরগোশ খাওয়া নাকি হারাম? ছাগলের মতটা নাকি খাওয়া হালাল? আসলে সঠিক কী হবে?
وعليكم السلام و رحمة الله و بركاته
بسم الله الرحمن الرحيم
উত্তরঃ ছাগলের মত পা বিশিষ্ট খরগোশ আছে কিনা আমার জানা নাই। নাসায়ী শরীফের এক হাদীসে এসেছে, এক গ্রাম্য ব্যক্তি ভূনা করা খরগোশ ও রুটি নিয়ে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলিহি ওয়াসাল্লামের সামনে পেশ করে বলল, আমি এর হায়েজ হতে দেখেছি। তখন সাল্লাল্লাহু আলিহি ওয়াসাল্লাম তাঁর সাহাবীদের বললেন, কোন সমস্যা নেই, তোমরা খাও! এবং গ্রাম্য ব্যক্তিকে বললেন, খাও! (নাসায়ী, হাদীস নং ২৪২৭) এখানে খরগোশটির পা কেমন ছিল তা জানা যায় না। অন্য কোন হাদীসেও পা’র বর্ণনা পাওয়া যায় না।
11885090_862978927117155_7331792263774312302_n
অনেকে সম্ভবত বিড়ালের মত পা বিশিষ্ট খরগোশের থাবা থাকায় তা খাওয়া জায়েজ হওয়া-না হওয়া নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেন, তবে উপরোক্ত হাদীসের ভিত্তিতে থাবা থাকা সত্বেও হিংস্র না হওয়ায় উলামায়েকেরাম এ ধরণের খরগোশ খাওয়া জায়েজ বলেছেন।
শরয়ী দলীল
عن ابن الحوتكية، قال: قال أبي: جاء أعرابي إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم ومعه أرنب قد شواها وخبز، فوضعها بين يدي النبي صلى الله عليه وسلم، ثم قال: إني وجدتها تدمى، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم لأصحابه: «لا يضر، كلوا»، وقال للأعرابي: «كل»، سنن النسائي (4/ 223
في الهدابة 4/441 ـ فصل فيما يحل أكله وما لا يحل قال ( ولا بأس بأكل الأرنب ) لأن { النبي عليه الصلاة والسلام أكل منه حين أهدي إليه مشويا وأمر أصحابه رضي الله عنهم بالأكل منه } ، ولأنه ليس من السباع ولا من أكلة الجيف فأشبه الظبي ـ
في بدائع الصنائع في ترتيب الشرائع -(4 / 153) ( كتاب الذبائح والصيود ) وعن الزهري رضي الله عنه قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: “كل ذي ناب من السباع حرام” فذو الناب من سباع الوحش مثل الأسد والذئب والضبع ………… ولا بأس بأكل الأرنب لما روي عن ابن عباس رضي الله عنهما أنه قال: “كنا عند رسول الله صلى الله عليه وسلم فأهدى له أعرابي أرنبة مشوية فقال: لأصحابه كلوا”،
গ্রন্থঃ সহীহ বুখারী (ইফাঃ); অধ্যায়ঃ ৪৩/ হিবা (উপহার) প্রদান; হাদিস নম্বরঃ [2402]; পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ هِشَامِ بْنِ زَيْدِ بْنِ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، عَنْ أَنَسٍ ـ رضى الله عنه ـ قَالَ أَنْفَجْنَا أَرْنَبًا بِمَرِّ الظَّهْرَانِ، فَسَعَى الْقَوْمُ فَلَغَبُوا، فَأَدْرَكْتُهَا فَأَخَذْتُهَا، فَأَتَيْتُ بِهَا أَبَا طَلْحَةَ فَذَبَحَهَا، وَبَعَثَ بِهَا إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِوَرِكِهَا ـ أَوْ فَخِذَيْهَا قَالَ فَخِذَيْهَا لاَ شَكَّ فِيهِ ـ فَقَبِلَهُ‏.‏ قُلْتُ وَأَكَلَ مِنْهُ قَالَ وَأَكَلَ مِنْهُ‏.‏ ثُمَّ قَالَ بَعْدُ قَبِلَهُ‏.‏‏
We chased a rabbit at Mar-al-Zahran and the people ran after it but were exhausted. I overpowered and caught it, and gave it to Abu Talha who slaughtered it and sent its hip or two thighs to Allah’s Apostle. (The narrator confirms that he sent two thighs). The Prophet (sallallahu ‘alaihi wa sallam) accepted that. (The sub-narrator asked Anas, “Did the Prophet; eat from it?” Anas replied, “He ate from it.”)
২৪০২। সুলায়মান ইবনু হারব (রহঃ) আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, (মক্কার অদূরে) মাররায্ যাহারান নামক স্থানে আমরা একটি করগোশ তাড়া করলাম। লোকেরা সেটার পিছনে ধাওয়া করে ক্লান্ত হয়ে পড়ল। অবশেষে আমি সেটাকে নাগালে পেয়ে ধরে আবূ তালহা (রাঃ)-এর কাছে নিয়ে গেলাম। তিনি সেটাকে যবেহ্ করে তার পাছা অথবা রাবী বলেন, দু’উরু রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর খিদমতে পাঠালেন। শু’বা (রহঃ) বলেন, দু’টি উরুই পাঠিয়ে ছিলেন, এ শব্দের বর্ণনায় কোন সন্দেহ নেই। তখন নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তা গ্রহন করেছিলেন। রাবী বলেন, আমি শু’বা (রহঃ)-কে জিজ্ঞাসা করলাম, তিনি কি তা খেয়েছিলেন? তিনি বললেন। হ্যাঁ, খেলেছিলেন। কিছুক্ষণ পর তিনি বললেন, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তা গ্রহণ করেছিলেন।
প্রামান্যগ্রন্থাবলীঃ
১। নাসায়ী শরীফ, হাদীস নং ২৪২৭
২। আল হিদায়া, ৪/৪৪১
৩। বাদায়েউস সানায়ে ৪/১৫৩
৪। এমদাদুল আহকাম ৪/৩১০
৫। আপকে মাসায়েল ৫/৪৯৭

খরগোশের গোশ্ত হালাল না হারাম?(Rabbit Care 3)

খরগোশের গোশত 

বাংলাদেশ একটি উন্নয়নশীল কৃষি
প্রধান দেশ, যার লোক সংখ্যা প্রায় ১৬
কোটি। জনসংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে
পাল্লা দিয়ে বাড়ছে খাদ্য ও প্রাণিজ
আমিষের চাহিদা। এ ক্রমবর্ধমান
জনসংখ্যাকে জনশক্তিতে রূপান্তরিত
করতে প্রাণিজ আমিষের চাহিদা পূরণে
সর্বাত্বক সচেষ্ট হতে হবে। আমরা
সবাই জানি যে, প্রাণিজ আমিষ
অত্যন্ত গুরুত্ত্বপূর্ণ একটা পুষ্টি উপাদান
যা মানুষের দেহের ক্ষয়পূরণ, বৃদ্ধিসাধন
ও বংশবিস্তারের জন্য অপরিহার্য।
আমাদের দেশে প্রাণিজ আমিষের
সিংহভাগই আসে পোল্ট্রি শিল্পে
উৎপাদিত ডিম ও গোশ্ত থেকে, কিন্তু
বিগত কয়েক বছরে বার্ড ফ্লু (Avian
influenza) এর ভয়াল থাবায় ক্রমাগত
ধ্বংশের মুখে পতিত হচ্ছে এ উদীয়মান
শিল্পটি; মাত্র এক দশকে ধাঁই ধাঁই করে
বেড়ে উঠা সমৃদ্ধশালী এ শিল্পটি
বর্তমানে মুখ থুবড়ে পড়েছে।
ফলশ্র“তিতে, প্রয়োজনীয় প্রাণিজ
আমিষের চাহিদার চাপ আরো বহুগুণে
বেড়ে গেছে, দেশের অর্থনীতিতেও
পড়েছে এর মারাত্মক প্রভাব।
এমতাবস্থায়, ক্রমবর্ধমান আমিষের
চাহিদা পূরণে আমাদেরকে বিকল্প
প্রাণিজ আমিষের কথা ভাবতে হবে।
কিছু দিন পূর্বে জাতিসংঘের মহাসচিব
বান কি মুন বিশ্ববাসীকে প্রাণিজ
আমিষের চাহিদা পূরণে পোকা-মাকড়
খাওয়ার অভ্যাস করতে পরামর্শ
দিয়েছেন। কেননা বিশ্বের অনেক
অনুন্নত দেশেই প্রাণিজ আমিষের
অভাবে প্রতি বছর লাখ লাখ লোক
মারা যাচ্ছে। সোমালিয়ার মতো
মুসলিম বিশ্বের অন্যান্য অনেক অনুন্নত
দেশসমূহে এ সমস্যা আরো ভয়াবহ
আকারে দেখা দিতে পারে। পৃথিবীর
অনেক দেশের লোকজনই পোকা মাকড়,
সাপ, বিচ্ছ, কুকুরসহ বিভিন্ন সামুদ্রিক
প্রাণি যেমন- অক্টোপাস, শামুক, ঝিনুক,
হাঙ্গর, শীল, ডলফিন, ইত্যাদি খেয়ে
প্রাণিজ আমিষের চাহিদা পূরণ করে
থাকে। কিন্তু মুসলিম বিশ্বের লোকজন
ধর্মীয় নিষেধাজ্ঞার (হালাল-হারাম)
কারণে এসব প্রাণি খেতে পারে না।
তবে ১৬ কোটি মানুষের এদেশে আর যাই
হোক পোকামাকড় না খেয়েও আমরা
বিকল্প হিসেবে খরগোশের গোশ্ত
খাওয়ার অভ্যাস করে প্রয়োজনীয়
প্রাণিজ আমিষের চাহিদা পূরণ করতে
পারি। উন্নত বিশ্বের দেশগুলোসহ
মুসলিম বিশ্বের অনেক দেশেই
খরগোশের গোশ্ত দিনে দিনে জনপ্রিয়
হয়ে উঠছে। কেননা কোরআন হাদিসের
আলোকে খরগোশের গোশ্ত খাওয়া
সম্পূর্ন রূপে হালাল (পশু-পাখির হালাল
হারাম বিধানের রহস্য, দৈনিক কালের
কন্ঠ, তারিখ: ২৮/০৬/২০১৩ ইং)। তবুও,
অনেকে খরগোশের গোশ্ত খাওয়াকে
হারাম বলে মনে করেন। আবার অনেকে
বলেন, শুধু মাত্র বিভক্ত ক্ষুর বিশিষ্ট
(ছাগল বা হরিণের পায়ের মত)
খরগোশের গোশ্ত খাওয়া হালাল, আর
বিড়ালের পায়ের মত থাবা বিশিষ্ট
খরগোশ হারাম। যা একটা প্রচলিত
কুসংস্কার ব্যতীত আর কিছুই নয়।
Canadian Executive Service Organization
(CESO) এর বর্ণনা মতে, বিভক্ত ক্ষুর
বিশিষ্ট খরগোশের অস্তিত্ব নিছক
একটা কাল্পনিক ও ভৌতিক গল্প, তাদের
মতে Lagomorphs শ্রেণীর ইউরোপিয়ান
বন্য খরগোশের (Oryctolagus cuniculus) পা
বিভক্ত ক্ষুর বিশিষ্ট নয়, থাবা বিশিষ্ট।
প্রকৃতিগত ভাবেই খরগোশ বিভক্ত ক্ষুর
বিশিষ্ট প্রাণি নয়। প্রকৃত পক্ষে ছাগল
বা হরিণের পায়ের মত বিভক্ত ক্ষুর
বিশিষ্ট কোন জাতের খরগোশের
অস্তিত্ব পৃথিবীতে নাই বা কোন
কালে ছিলও না। প্রাকৃতিক ভাবে বা
কৃত্রিম উপায়ে যদি হরিণের সঙ্গে
খরগোশের মিলন ঘটানো (Species
hybridization) হয়, তবেই কেবলমাত্র হরিণ
ও খরগোশের মাঝামাঝি এক ধরনের
বিভক্ত ক্ষুর বিশিষ্ট উদ্ভট প্রাণির জন্ম
হতে পারে, যা খচ্চর জাতীয় প্রাণির
মতই বন্ধ্যা হয় (ছবি-১)। অন্যদিকে,
পৃথিবীর অনেক দেশের মত আমাদের
দেশের বনজঙ্গলেও এক সময় ছোট জাতের
হরিণ (Pudu) বাস করত যারা
এরা শিকারী প্রাণির হাত থেকে
নিজেকে রক্ষার জন্য কান দু’টো খাড়া
রেখে সদা সতর্ক থাকত। এরা কখনো
কখনো খরগোশের মতো চুপিসারে বসে
বসে ঘাস, লতাপাতা খেত।
এমতাবস্থায় দূর থেকে দেখে হয়তবা
কেউ কেউ এদেরকে খরগোশ ভেবে ভুল
করতে পারেন।
সাম্প্রতিক কালে মারা নামের ইঁদুর
গোত্রীয় এক ধরনের প্রাণির অস্তিত্ব
মিলেছে, যাদের পিছনের পা বিভক্ত
ক্ষুর বিশিষ্ট এবং দেখতে কিছুটা
খরগোশের মত (ছবি-৩)। যা হোক, কোন
প্রাণির পায়ের গঠনের উপর ভিত্তি
করে হারাম-হালাল নির্ধারিত হয় না।
কেননা শুকরের পা বিভক্ত ক্ষুর বিশিষ্ট
হওয়া সত্ত্বেও মুসলমানদের জন্য এর
গোশ্ত খাওয়া হারাম করা হয়েছে।
মাছ ব্যতীত মৃত প্রাণির গোশ্ত, শুকর ও
গৃহপালিত গাধার গোশ্ত এবং প্রাণির
রক্ত, ইত্যাদি খাওয়া হারাম (সূরা আল
মায়েদা, আয়াত নং ৫৩)। এছাড়াও
যেসব হিং¯এর পশু পাখি লম্বা ছেদন
দাঁত বা বিষ দাঁত অথবা থাবা বা নখর
দ্বারা অন্য পশু পাখি শিকার করে বা
পঁচা গলা জীবজন্তু ভক্ষন করে বেঁচে
থাকে তাদের গোশ্ত খাওয়া সম্পূর্ণ
রূপে হারাম। এসব দিক থেকে বিবেচনা
করলে খরগোশ একটা অত্যন্ত শান্ত ও
নিরিহ প্রকৃতির প্রাণি যা মোটেই
হিং এর নয়। এরা ছাগল ভেড়া ও গরু
মহিষের মতই সম্পূর্ণ তৃণভোজী প্রাণি
অর্থাৎ ঘাস, লতাপাতা, গাছের কচি
অংশ, শাক সবজি খেয়ে জীবন ধারণ
করে। এরা কখনোই অন্য কোন পশু পাখি
শিকার করে না, এমনকি পোকা মাকড়
পর্যন্তও খায় না। সুতরাং উপরোক্ত
যুক্তি প্রমাণাদি বিশ্লেষণে বলা যায়
যে, ইসলামী শরিআহ্ মোতাবেক
আল্লাহর নামে জবাই করা খরগোশের
গোশ্ত খাওয়া সম্পূর্ণ হালাল।
লেখক : সহযোগী অধ্যাপক ও
চেয়ারম্যান
জেনেটিক্স এন্ড এ্যানিমেল ব্রিডিং
বিভাগ
হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও
প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, দিনাজপুর।

খরগোশের খাদ্যতালিকা (Rabbit Care 2)


খরগোশ 

খরগোশের প্রয়োজনীয় খাদ্য তালিকা:

অন্যান্য পশুদের মত খরগোশও বিভিন্ন
ধরনের মজাদার খাবার খেতে পছন্দ
করে। নিয়মিত পুষ্টিকর ও সুষমখাদ্য
আপনার প্রিয় খরগোশটিকে সুস্থসবল
রাখতে সাহায্য করে। দেখে নিন কি
কি খাদ্য আপনার খরগোশের খাদ্য
তালিকায় রাখা উচিৎ।
তাজা খড় (Hay): তাজা খড় খরগোশের
জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় খাদ্য।
প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় এটি
থাকা খুব এ জরুরী। বয়স্ক খরগোশকে
ঘাস, ওটের খড়, টিমোথি(Timothy Hay)
খাওয়ানো যাবে। আর বাচ্চা
খরগোশকে Alfalfa খাওয়ানো উচিৎ। উচ্চ
প্রোটিন আর চিনির কারনে Alfalfa
বয়স্ক খরগোশকে দেওয়া উচিৎ না। খড়
খরগোশকে ভাল পরিপাক স্বাস্থ্যের
জন্য প্রয়োজন অপরিহার্য ফাইবার
প্রদান করে এবং এটি একটি খরগোশ এর
দাঁত (যা ক্রমাগত বৃদ্ধি) নিচে পরতে
ভাল রাখার জন্য সাহায্য করে।
শাকসবজিঃ সবজি একটি বৈচিত্রপূর্ণ
ভাণ্ডার যা আপনার খরগোশ এর
দৈনন্দিন খাদ্যের একটি অংশ হওয়া
উচিত। সবসময় তাজা এবং
কীটনাশকমুক্ত শাকসবজি নির্বাচন করা
উচিৎ। খাওয়ানোর আগে শাকসবজি
ভাল করে ধুয়ে নিতে হবে। ঘরের
শোভাবর্ধনকারী লতাপাতা অনেক সময়
ওদের জন্য বিষাক্ত হতে পারে। যেসব
শাকসবজি খাদ্য তালিকায় রাখা
উচিৎ-
Broccoli leaves- ব্রোকলি পাতা
Carrot tops-গাজর একাংশ
Dill -শুলফা
Kale -পাতা কপি
Lettuce – লেটুস
Mint/Basil- পুদিনা
Mustard greens- সরিষা সবুজ শাক
Parsley- পার্সলে
Water cress- জল শাক
পানিঃ সবসময় আপনার খরগোশ জন্য
পানি দিয়ে রাখা আবশ্যক। ঝুলন্ত
পানির পাত্র অথবা বাটিতে সবসময়
পানি দিয়ে রাখতে হবে। গরম দিনে
খরগোশের পানির পাত্রে একটি বরফ
রেখে দিতে পারেন। আপনার খরগোশ
যথেষ্ট পানি পান না করলে ভিজা
সবজি খেতে দিবেন।
শুকনো খাবার (Pellets): পেট শপগুলোতে
বিভিন্ন ব্র্যান্ডের Rabbit Pellets
কিনতে পাওয়া যায়। পর্যাপ্ত ফাইবার
ও প্রোটিনসমৃদ্ধ এ খাবারগুলো
খরগোশের খুবই প্রিয়।
Treat: আপনার খরগোশকে খুশি করার
জন্য মাঝে মাঝে treat দিতে পারেন
কিন্তু স্বাস্থ্যের দিকে লক্ষ্য রাখতে
হবে। রুটি, পাস্তা, নোনতা বিস্কুট,
কুকি, চিপস, বা খাদ্যশস্য উচ্চ
শর্করাসমৃদ্ধ হওয়াতে এই খাদ্যগুলো
খাওয়ানো উচিৎ নয়। কখনও চকলেট
দিবেন না, এটি খরগোশ জন্য বিষাক্ত।
Treat দেওয়ার সবচেয়ে ভাল উপায় হচ্ছে
ফল খাওয়ানো। কিন্তু চিনি বেশি
থাকাতে কম পরিমানে দিতে হবে।
যেসব ফল দেওয়া যাবে –
Strawberries- স্ট্রবেরি
Raspberries- রাস্পবেরি
Bananas- কলা
Pineapple-আনারস
Apples (no seeds)- আপেল (বীজ ছাড়া)

খরগোশের পট্টি ট্রেনিং পর্ব ১



Rabbit Care Part 1
পট্টি ট্রেনিং :

পট্টি ট্রেনিং  অনেক সহজ হলেও, এটা ধৈর্যের ব্যাপার .
যা করতে হবে;
1. ওদেরকে যেখানেই ছেড়ে রাখুন না কেন, সেই জায়গাতেই আপনার একটা করে পট্টি ট্রেনিং দিতে হবে।
2. যদি এমন জায়গাতে পট্টি করে যেখানে আপনি চান না,সেখানে ভিনেগার দিয়ে পরিষ্কার করুন।
3. কেন ভিনেগার: ভিনেগার এমন একটি পদার্থ যা সব রকম গন্ধ  পরিষ্কার করে ফেলে.
4. কখনই সাবান,শ্যাম্পু বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার করবেন না।কারন সবান জাতীয় পদার্থে অ্যামোনিয়া থাকে যা পি এর গন্ধের মতই।তাই আপনি যতই সাবান বা ডিটারজেন্ট দিয়ে পরিষ্কার করুন সে ততই পী পপ করবে সেখানে।
5. আপনি যেখানে ওদের পী পপ করাতে চান,
সেইখানে পট্টি ট্রে দিন।
6.পট্টি ট্রে তে যা যা থাকতে হবে:
*ওদের কিছু পপ পট্টি ট্রে তে দিয়ে রাখবেন।
*একটা কাগজ দিয়ে ওদের পী মুছে,সেই কাগজটাই পট্টি ট্রে তে রাখবেন।
* ট্রে তে খড় দিয়ে রাখবেন
7.পট্টি ট্রে এর পাশে খাবার দিবেন।
খরগোশ রা খেতে খেতে পপ পী করে।.
8. পট্টি তে বসলেই শুধু খাবার দিবেন। বাসার অন্য কোথাও খাবার দিবেন না।
পো পী করার পর খাঁচা থেকে ছাড়ব এরকম কখনই ভাববেন না।
এটা কখনই করবেন না।ওরা এটা বুঝবে না।যখনি ঠিক জায়গায় পো পী  করবে তখনি
ওদের খাবার দিবেন ববা আদর করে দদিবেন।তাহলে ওরা বুঝবে কোনটা ঠিক কাজ,কোথায় করা উচিত।
আপনার অনেক ধৈর্য  থাকতে হবে।